সংসদে এমন পো-শা-কে উপস্থিত হওয়ায় জনগণ

Image
  সংসদে এমন পো-শা-কে উপস্থিত হওয়ায় জনগণ জাতীয় সংসদে সাধারণত আনুষ্ঠানিক ও মর্যাদাপূর্ণ পোশাকে সংসদ সদস্যদের উপস্থিত হতে দেখা যায়। কিন্তু প্রচলিত সেই ধারার বাইরে গিয়ে জার্সি পরে সংসদে উপস্থিত হওয়ার একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। ঘटनাটি ঘটে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে একটি স্পোর্টস জার্সি পরে উপস্থিত হন। তাঁর এই পোশাক মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। কেউ বিষয়টিকে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রকাশ হিসেবে দেখেছেন, আবার কেউ জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন পোশাকের সমালোচনা করেছেন। সমালোচকদের একটি অংশের বক্তব্য, জাতীয় সংসদ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পোশাকেও প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার প্রতিফলন থাকা উচিত। তাঁদের মতে, সংসদে প্রবেশ কিংবা শপথ নেওয়ার মতো আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে সাধারণত ফরমাল পোশাকই বেশি উপযুক্ত। অন্যদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের একটি অংশ ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে দেখেছেন। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনি...

যে ৪ ধরনের যৌ'ন মিলন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ

  যে ৪ ধরনের যৌ'ন মিলন নিষিদ্ধ: ইসলামের কড়া নির্দেশ

সহবাসের স্বাভাবিক পন্থা হলো এই যে, স্বামী উপরে থাকবে আর স্ত্রী নিচে থাকবে। প্রত্যেক প্রাণীর ক্ষেত্রেও এই স্বাভাবিক পন্থা পরিলক্ষতি হয়। এ দিকেই অত্যন্ত সুক্ষভাবে ইঙ্গিত করা হয়েছে আল কুরআনে।

আয়াতের অর্থ হলোঃ “যখন স্বামী -স্ত্রীকে ঢেকে ফেললো তখন স্ত্রীর ক্ষীণ গর্ভ সঞ্চার হয়ে গেলো।”


আর স্ত্রী যখন নিচে থাকবে এবং স্বামী তার উপর উপুড় হয়ে থাকবে তখনই স্বামীর শরীর দ্বারা স্ত্রীর শরীর ঢাকা পড়বে। তাছাড়া এ পন্থাই সর্বাধিক আরামদায়ক। এতে স্ত্রীরও কষ্ট সহ্য করতে হয় না এবং গর্ভধারণের জন্যেও তা উপকারী ও সহায়ক।


বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।


বিখ্যাত চিকিতসা বিজ্ঞানী বু-আলী ইবনে সীনা তার অমর গ্রন্থ “কানুন” নামক বইয়ে এই পন্থাকেই সর্বোত্তম পন্থা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং ‘স্বামী নিচে আর স্ত্রী উপরে’ থাকার পন্থাকে নিকৃষ্ট পন্থা বলেছেন।




স্বামী-স্ত্রী সহবাসে উভয়ের বীর্য বাহির হওয়ার পর কিছু সময় নড়াচড়া না করে মিলিত অবস্থায় থাকতে হবে। অর্থাৎ স্ত্রী নীচে এবং স্বামী উপরে থাকবে। তাতে বীর্য জরায়ুতে ঠিক মত প্রবেশ করতে সুবিধা হয়। তা না হলে বীর্য বাহিরে পড়ে যেতে পারে। আর বীর্য বাহিরে পড়লে গর্ভ সঞ্চার হয় না। সহবাসের পর হালকা গরম পানি দিয়ে স্বামী স্ত্রীর দুই জনের যৌনাঙ্গ ধুয়ে ফেলতে হয়। ঠাণ্ডা পানিতে ধোয়া উচিৎ নয়। তারপর স্বামী স্ত্রী দুইজনে কিছু মধু সেবন করে নিবেন। তারপর দুই জনে ফরজ গোসল করে ফযরের নামাজ আদায় করে নিবেন

Comments

Popular posts from this blog

ব্রেকিং নিউজ : দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি শুরু হবে ..

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স-হ-বা-স করা যা..

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন