সংসদে এমন পো-শা-কে উপস্থিত হওয়ায় জনগণ

Image
  সংসদে এমন পো-শা-কে উপস্থিত হওয়ায় জনগণ জাতীয় সংসদে সাধারণত আনুষ্ঠানিক ও মর্যাদাপূর্ণ পোশাকে সংসদ সদস্যদের উপস্থিত হতে দেখা যায়। কিন্তু প্রচলিত সেই ধারার বাইরে গিয়ে জার্সি পরে সংসদে উপস্থিত হওয়ার একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছিল। ঘटनাটি ঘটে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে একটি স্পোর্টস জার্সি পরে উপস্থিত হন। তাঁর এই পোশাক মুহূর্তেই আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। কেউ বিষয়টিকে নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রকাশ হিসেবে দেখেছেন, আবার কেউ জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন পোশাকের সমালোচনা করেছেন। সমালোচকদের একটি অংশের বক্তব্য, জাতীয় সংসদ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পোশাকেও প্রতিষ্ঠানটির মর্যাদা ও আনুষ্ঠানিকতার প্রতিফলন থাকা উচিত। তাঁদের মতে, সংসদে প্রবেশ কিংবা শপথ নেওয়ার মতো আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে সাধারণত ফরমাল পোশাকই বেশি উপযুক্ত। অন্যদিকে হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের একটি অংশ ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে দেখেছেন। তাঁদের মতে, একজন জনপ্রতিনি...

যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন!

  যাদের ঠিক মত বাথরুম হয় না বাঁচতে হলে জেনে রাখুন!

আজকাল প্রায় সব টয়লেটে হাই কমোড ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষেত্রে হাই কমোডের চেয়ে লো প্যান উপকারী। লো প্যানে যেভাবে বসতে হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় সেটিকে বলে ‘স্কোয়াটিং পজিশন’ বা আসন করে বসা। মলত্যাগের সময় এভাবে বসা উপকারী। এতে পেটে জমে থাকা মল ভালোভাবে বের হয়ে যায়, পেট থাকে পরিষ্কার। কিন্তু বাড়িতে কোনো টয়লেটেই লো প্যানের ব্যবস্থা না থাকলে কী করা যায়? এ ক্ষেত্রে সমাধান হলো টয়লেট টুল। এই টুল কমোডে বসার সময় পা রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের টুল আজকাল অনলাইনে কেনা যায়। তবে টয়লেট টুল না পাওয়া গেলে সাধারণ একটি প্লাস্টিকের টুল হতে পারে এর বিকল্প। চাইলে কাঠ দিয়ে বানিয়েও নিতে পারেন। কমোডে বসা অবস্থায় পা দুটি টুলের ওপর রাখলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যার কিছুটা উন্নতি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু, যাদের পা কমোডে বসা অবস্থায় ঝুলে থাকে, তাদের জন্য এই ব্যবস্থা বেশ উপকারী।

২. হাঁটুন
বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালে হাঁটাহাঁটি করলে বিষণ্নতার ঝুঁকি কমে আসে। ২০১৯ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিষণ্নতার সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্পর্ক আছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট বাইরে হাঁটাহাঁটি করলে নির্মল বাতাস ও আলো আপনার মস্তিষ্কে পোঁছায়। আপনার শরীরের গতিবিধি মস্তিষ্কও অনুভব করতে পারে। আর এতে বিষণ্নতার মতো মানসিক সংকট কমে যায় অনেকাংশে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাখে কার্যকর ভূমিকা।

৩. প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান

আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খান। হার্ভার্ড হেলথের মতে, যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোমে (আইবিএস) ভুগছেন, তাঁদের জন্য প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল বিশেষ উপকারী। প্রোবায়োটিক ক্যাপসুলকে তুলনা করা যেতে পারে খুব ঘন টক দইয়ের সঙ্গে। এসব ক্যাপসুল স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া দিয়ে পরিপূর্ণ, যা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

আজকাল অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে প্রোবায়োটিক ক্যাপসুল খানছবি: পিক্সাবে
৪. ম্যাগনেশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খান

ম্যাগনেশিয়াম শুধু হাড়ের জন্যই উপকারী নয়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আপনার পরিপাকতন্ত্রে কাজ করে দারুণভাবে। হেলথলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে, ম্যাগনেশিয়াম সাইট্রেট অন্ত্রে পানি টেনে আনে বলে অন্ত্র শিথিল হয়। আর এতে মলত্যাগও হয় সহজ। আরও কিছু ভিটামিন আছে যেগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে উপকারী, যেমন ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি১২ ও ভিটামিন বি১।

জিরা-পানির কী গুণ

৫. অপ্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ কমান

বড় এক প্যাকেট আলুর চিপস আপনার পরিপাকতন্ত্রের ওপর ভীষণ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই এ ধরনের খাবার না খেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। শাকসবজি, শস্যজাতীয় খাবার, উপকারী মনো ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ইত্যাদি বেশি পরিমাণে গ্রহণ করুন। ওয়েবএমডির মতে, জলপাই তেলে থাকে উপকারী চর্বি। অন্ত্রে এই চর্বির একটি আস্তরণ সৃষ্টি হলে খাদ্য সহজে চলাচল করতে পারে। আর অন্ত্রের মধ্য দিয়ে খাদ্য সহজে চলাচল করা মানেই কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি।

৬. কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকুন

আপনাকে হয়তো দিনমান চেয়ারে বসেই কাজ করতে হয়। কিন্তু মাঝেমধ্যে উঠে দাঁড়ান। এই অভ্যাস আপনার পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন। মার্কিন বিজ্ঞানবিষয়ক ম্যাগাজিন স্মিথসোনিয়ানের মতে, কাজের মধ্যে নিয়মিত বিরতিতে উঠে দাঁড়ালে মুটিয়ে যাওয়া, ক্যানসার, রক্তসংবহনতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ ও বিপাকের বিভিন্ন সমস্যার আশঙ্কা কমে যায়।

রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ছবি: পেক্সেলস
৭. সকালে লেবু-পানি খান

রোজ সকালে এক গ্লাস ঠান্ডা পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ঠান্ডা পানি ও লেবুতে থাকা সাইট্রাস একত্র হয়ে আপনার পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য সারিয়ে তোলে। এই পানীয় দিনে দুবার খেতে পারেন, পেটের ভেতরের ‘গাড়িঘোড়া’ দ্রুতগামী হবে এবং ‘যানজট’ও হবে দূর।

Comments

Popular posts from this blog

ব্রেকিং নিউজ : দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি শুরু হবে ..

স্ত্রী ছাড়া কার সাথে স-হ-বা-স করা যা..

হোটেলের বিছানার চাদর-বালিশ সাদা হয় কেন